search the site
জট থাকলেও কনটেইনারের ধারণক্ষমতা বেড়েছে, দাবি চট্টগ্রাম বন্দরের

জায়গা বাড়ানোর ফলে অব্যাহত জটের মধ্যেও কনটেইনার ধারণের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, কনটেইনার ধারণক্ষমতা বর্তমানে ৫৯ হাজার টিইইউসে (প্রতিটি ২০ ফুট দৈর্ঘ্য হিসাবে) উন্নীত হয়েছে, যা একদিন আগেও ছিল ৫৩ হাজার ৫১৮ টিইইউস।
বৃহস্পতিবার বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুকের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সক্ষমতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে বন্দরে ইয়ার্ড-শেড বাড়ানো হচ্ছে। গত এক বছরে সংস্কারের পাশাপাশি কিছু ‘নতুন ইয়ার্ড’ তৈরি করা হচ্ছে।
“পুরাতন অকশন ইয়ার্ড, গাড়ি সংরক্ষণ স্থান, ব্যাগেজ শেড, এক্স ও ওয়াই শেড এলাকায় নতুন ইয়ার্ড নির্মাণ করা হয়েছে।”
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি মাসের শুরুতে বন্দরে জমে থাকা কনটেইনার পরিমাণ ধারণক্ষমতার কাছাকাছি পর্যায়ে পৌঁছায়। বৃহস্পতিবার বন্দরে জমে থাকা কনটেইনারের পরিমাণ ছিল ৪৬ হাজার ৭৬১ টিইইউস। আগের দিন বুধবার এ সংখ্যা ছিল ৪৭ হাজার ৪৬৩ টিইইউস। চলতি সপ্তাহের প্রথমদিন রোবাবারে এ সংখ্যা ঠেকেছিল ৪৯ হাজার ১৩১ টিইইউস।
বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, কাস্টমসের কর্মবিরতি, কলমবিরতি, ঈদের দীর্ঘ ছুটিসহ বিভিন্ন কারণে যে জট সৃষ্টি হয়েছিল, তার ধারাবাহিকতা কিছুটা রয়েছে। তবে ছুটির দিনগুলোতে কম কনটেইনার খালাস হওয়ার কারণে জট বাড়ছে।
বৃহস্পতিবার বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলেন, সম্প্রতি প্রায় ৪৮ হাজার টিইইউস কনটেইনার জমে থাকার পরেও কার্যক্রম ‘সুচারুরূপে’ সম্পন্ন হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বন্দরে আগে গড়ে প্রতিদিন ১০টি কনটেইনার জাহাজ হ্যান্ডলিং হলেও এখন হচ্ছে ১২ থেকে ১৩টি। এজন্য আমদানি-রপ্তানিকারকরা আগের চেয়ে কম সময়ে পণ্য হাতে পাচ্ছেন।
এ বছরের মধ্যে আরও কিছু ইয়ার্ড নির্মাণ শেষ হবে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এতে বন্দরের কনটেইনার ধারণক্ষমতা প্রায় ৬২ হাজার টিইইউসে উন্নীত হবে।
বর্হিনোঙ্গরে জাহাজের অপেক্ষমান সময় দুইদিনে নেমে এসেছে দাবি করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার বর্হিনোঙ্গরে চারটি কন্টেইনার জাহাজ এবং একটি জিআই জাহাজ ‘বার্থিংয়ের’ অপেক্ষায় আছে।
source : bangla.bdnews24.


















