search the site
Bangladeshi Marine Engineers at a risk
হুমকির মুখে বাংলাদেশী মেরিন ইঞ্জিনিয়ারগন
বাংলাদেশের মেরিন সেক্টর গুটি কয়েক লোভী মেরিনারের জন্য আজ হুমকির সম্মুখীন ।
মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং
অবৈধ সনদের স্বীকৃতি দিচ্ছে সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর!
কঠোর হতে পারে আইএমও, জাহাজে চাকরিতে সতর্কতা
মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিদেশি সনদপত্র অনুমোদন দেওয়া নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি কিছু বাংলাদেশি যুবক ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) অনুমোদনবিহীন কিছু বিদেশি প্রতিষ্ঠান থেকে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে শিক্ষা সনদ সংগ্রহ করে তা অনুমোদনের জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরে জমা দেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের অনুমোদন নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জাহাজে চাকরি নেওয়ারও চেষ্টা করছেন। এসবের মধ্যে আফ্রিকার দেশ বেলিজ থেকে আনা সনদপত্র নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোড়ন শুরু হয়েছে। এ ঘটনা টের পেয়ে বিভিন্ন জাহাজ প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। তারা বাংলাদেশের মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে আগের চেয়ে অনেক বেশি কড়াকড়ি আরোপ করেছে। এমনকি আইএমওর নজরেও গেছে বিষয়টি।
সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের একাধিক সূত্রে জানা যায়, বেলিজের সনদধারী মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের অনুমোদন দেওয়া নিয়ে অধিদপ্তরে ব্যাপক আলোড়ন চলছে কিছুদিন ধরেই।
সূত্র মতে, বেলিজের সনদধারী পাঁচজনকে সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন দেওয়া সংক্রান্ত কাগজপত্র নৌ-মন্ত্রণালয়ে জমা পড়েছে। গত ১৭ জানুয়ারি সফিউল আলম ও মনোয়ার হোসেন, ১৮ জানুয়ারি চৌধুরী আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম ও মনিরুজ্জামান আকন, ৯ ফেব্রুয়ারি গাজী সুলতান মাহমুদের কাগজ জমা পড়ে।
নাবিক ও প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তরের সাবেক পরিচালক মো. মাহফুজুল কাদের কালের কণ্ঠকে বলেন, কোনো নাবিক যদি আন্তর্জাতিকভাবে অবৈধ কোনো সনদ নিয়ে কোনো আন্তর্জাতিক রুটে যায় এবং সেটা ধরা পড়ে তবে তার যেমন কঠোর শাস্তি হবে তেমনি দেশের ওপর যেকোনো নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ আইএমওর ‘বি’ ক্যাটাগরির সদস্য হিসেবে স্ট্যান্ডার্ড অব ট্রেনিং সার্টিফিকেশন অ্যান্ড ওয়াচকিপিং (এসটিসিডাব্লিউ) কনভেনশনভুক্ত। এসটিসিডাব্লিউ কনভেনশন অনুসারে এই কনভেনশনভুক্ত নয় এমন কোনো দেশের মেরিন সার্টিফিকেট আইএমওর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। এমনকি কনভেনশনভুক্ত কোনো দেশ এ ধরনের কোনো সনদপত্র গ্রহণ করতে কিংবা অনুমোদন দিতেও পারবে না। এসটিসিডাব্লিউভুক্ত অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশ সরকারের কাছেও এ-সংক্রান্ত তালিকা আছে। ওই তালিকায় বেলিজের নাম নেই। ফলে ওই দেশের মেরিন সনদ বাংলাদেশ বা এসটিসিডাব্লিউভুক্ত দেশগুলোতে গ্রহণযোগ্য নয়। তা সত্ত্বেও সম্প্রতি বেলিজের সনদধারী কিছু লোক বাংলাদেশের সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন নিচ্ছেন বলে মন্ত্রণালয়ে খবর এসেছে।
মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ ছাড়া আইএমও এই বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিলে সেটা বাংলাদেশের জন্য বড় রকমের ক্ষতি বয়ে আনবে।
সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর যুবায়ের আহম্মেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এসটিসিডাব্লিউভুক্ত ২৭টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি আছে। এ চুক্তির বাইরে থাকা কোনো দেশের সনদ আমরা অনুমোদন দিতে পারি না। বেলিজের সঙ্গে আমাদের চুক্তি নেই। আমরা তাদের সনদ অনুমোদন দিতে পারি না। দিলেও এটা আন্তর্জাতিকভাবে বৈধ হবে না।’
তবে মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কোনো কোনো কর্মকর্তা মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্তাব্যক্তির যোগসাজশে বিষয়টি চাপা রাখার জন্য তৎপরতা শুরু করেছেন। সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বেলিজের সনদধারী অনন্ত ১০ জনকে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে অনুমোদন দেওয়ার যাবতীয় তথ্য ও কাগজপত্র গোপনে সংগ্রহ করেছে মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় থেকে এরই মধ্যে সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের অস্থায়ী পরীক্ষক এস এম নাজমুল হকের বিষয়ে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নাজমুল হকের মাধ্যমেই এসব অনুমোদন দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত হয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর। এ ছাড়া নাজমুল হকের অস্বাভাবিক অর্থ-সম্পদের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে বলেও ওই কর্মকর্তা জানান।
সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমার দপ্তর থেকে বেলিজের সনদধারী কয়েকজনকে অনুমোদন দেওয়ার প্রস্তাব আমার কাছে নিয়ে আসা হলেও আমি নাকচ করে দিয়েছি। এ ছাড়া যদি আমার দপ্তরের কেউ কোনোভাবে এ ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম করে থাকে, সেটা শক্তভাবে দেখা হবে।’
আর দুটি অন লাইন পত্রিকার খবর।
প্রতারক “আফিক” এর blitz এবং write3 তে কয়েকবার প্রকাশ হয় জাল সাটিফিকেট ব্যবহার এর ঘটনা । blitz এ প্রকাশিত ঘটনার লিঙ্ক (Click This Link
) এছাডাও write3 প্রকাশিত আরও দুইটি খবর এর লিঙ্ক (http://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2503
) এবং (http://www.write3.com/PostDetails.php?Id=2494
) যাতে আফিক এর এ সকল জাল সনদের ঘটনা প্রকাশ হলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল সহ বিভিন্ন গন মাধ্যমে আলোডন সৃষ্টি হয় এবং আফিক কে সকলে নিন্দা জানায়। তাছাডা মেরিন ফিশারিজ, মেরিন একাডেমী’র সকলের কাছে বিভিন্ন গোপন তথ্য পাস হয়ে গেল। এ দিকে প্রকাশিত সংবাদ এর সাথে সাথে ডি,জি শিপিং এর নাজমুল(পরীক্ষক এবং শিপ সার্ভেয়ার) এরও টনক নডে উঠে। এই নাজমুল আফিক থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ হিসেবে গ্রহন করে এবং আফিক এর সকল জাল সনদ গুলো তৈরি করে দেয়। এই সব জাল সাটিফিকেট দিয়ে ২৪ মাস থার্ড ইঞ্জিনিয়ার এর চাকরি করে । এই সকল ভুয়া ইঞ্জিনিয়ার এর কারণে শিপ চালনা করতে অনেক সময় দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয় । নাজমুল সাহেবকে বিভিন্ন নৌবন্দর, ফেরি ঘাট এবং ফিল্ডে গিয়ে সরাসরি শিপ এর ফিটনেছ পযাবেক্ষন করার দায়িত্ব দেয়া হলেও তা করছেনা। ঢাকা অফিস থেকেই বসে অনুমোদন দিচ্ছে ফিটনেছ সাড়া শিপ। এতে হাজার হাজার মানুষ প্রতি বছর মৃত্রুর মুখে ঢলে পড়ছে। এই সকল মৃত্রুর জন্য দায়ী নাজমুল এর মত অফিসাররা। কিছু দিন আগে নাজমুল নিজ মুখে স্বীকার করে বলেছিল আফিক অপরাধী। যা সকলে শুনার জন্য প্রকাশ করা হল। নাজমুলসহ দেশের সকল জনগণ এবং গনমাধ্যম ও মেরিন ফিশারিজ, মেরিন একাডেমি ও সকল মেরিন ইঞ্জিনিয়ার এর কাছে প্রশ্ন তারপরও কি বলবেন আফিক নিরপরাদ ? আফিক এর কালো টাকায় কি ঢাকা যাবে আফিক এর অপরাধ ? আজ কালো টাকায় বিক্রি হয়ে যাচ্ছে মেরিন এর কিছু অফিসার ।
টাকা ছাড়া কোন সনদই মেলেনা অধিদপ্তর থেকে
সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি জাহাজ শিল্প
দেশের জাহাজ শিল্প বিকাশের প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে মধ্যস্বত্বভোগীরা। সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে তারা বিপুল টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ধীরে ধীরে এ শিল্পের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে। জাহাজের সার্ভে সনদ, বে-ক্রসিং রেজিস্ট্রেশন এবং ডক ইয়ার্ডের লাইসেন্স পেতে এখন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় বলে নতুন উদ্যোক্তারা জানান। ফলে নতুন সম্ভাবনাময় এ শিল্পে যুক্তরা এখন হতাশ। তারা জানান, প্রভাবশালীরা এ খাতে একচেটিয়া ব্যবসা করলেও নতুন যারা এ শিল্পে যুক্ত হচ্ছেন তাদের প্রতি পদে পদে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
বিগত জোট সরকারের আমলে শিপিং ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ছিল তত্কালিন লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন আল-মামুনের হাতে। তার নেতৃত্বে গড়ে উঠা সিন্ডিকেটের বর্তমান নেতা বরিশাল অঞ্চলের মহাজোটভুক্ত একজন সংসদ সদস্য। এই সিন্ডিকেটের কাছে মূলত জিম্মি হয়ে আছে নৌ-সেক্টর। এমনকি রোটেশন পদ্ধতিতে লঞ্চ পরিচালনা করে যাত্রী জিম্মি ও নৌ-দুর্ঘটনা নিয়েও মাথাব্যথা নেই বিআইডব্লিউটিএ ও সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের কর্তা ব্যক্তিদের। নৌ-পরিবহন সেক্টরের এ নৈরাজ্যের যাঁতাকলে পিষ্ট দক্ষিণাঞ্চলের কোটি মানুষ।
নৌযান মালিকরা জানান, যাত্রীবাহী লঞ্চ, কার্গো, কোস্টাল, ট্যাংকার, বলগেট, কান্ট্রি বোটসহ নৌযানের রেজিস্ট্রেশন, বার্ষিক সার্ভে সনদ (ফিটনেস সার্টিফিকেট), বে-ক্রসিং সার্টিফিকেট (সমুদ্র অতিক্রম সনদ), ডক ইয়ার্ড লাইসেন্স, নৌযানের নকশা অনুমোদন, টোকেনের মাধ্যমে নৌযান চলাচলের অনুমতি, নাবিকদের পরীক্ষা, নৌযানের মাস্টার-ড্রাইভারদের পরীক্ষাসহ রুটপারমিট পর্যন্ত সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করছে একটি সিন্ডিকেট । এই সিন্ডিকেটের মাধ্যম ছাড়া অধিদপ্তর কোন সনদ দেয় না বলে অভিযোগ রয়েছে। নৌযান মালিকরা আরো জানান, সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের অনিয়মের কারণে শুধু মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত নন, সরকারও বিপুল টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। অর্থের বিনিময়ে নির্ধারিত ভ্যাট আরোপ ছাড়াই নৌযানের রেজিস্ট্রেশন দেয়ায় সরকার বিপুল রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অপরদিকে প্রভাবশালীদের ত্রুটিপূর্ণ নৌযানকে সার্ভে সনদসহ রুটপারমিট দেয়ায় নৌ নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়েছে। প্রতি বছর দক্ষিণাঞ্চলে নৌ দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানী ও সম্পদ নষ্ট হলেও সংস্থার কর্মকর্তারা সতর্ক হয়নি বরং তারা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। বিভিন্ন সময়ে নৌ দুর্ঘটনার পর পরই সরকার একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করলেও তাদের সুপারিশ গ্রহণ করা হয়নি।
লঞ্চ মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল (যাপ) সংস্থার সহ-সভাপতি আলহাজ্ব বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নকশা প্রণয়ন ও অনুমোদনে হয়রানির কথা স্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, আগে ৮-১০ হাজার টাকা খরচ করে নকশা পেতাম। এখন ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা দিতে হচ্ছে। জাহাজ শিল্পের বিকাশের জন্য নকশা অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজলভ্য করা দরকার বলে অধিকাংশ নৌযান মালিক মনে করেন।
দৈনিক ইত্তেফাক থেকে
নাবিক পরীক্ষা নিয়ে দুর্নীতি তদন্তে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি
সমুদ্রগামী জাহাজের নাবিকদের পরীক্ষার খাতা বাসায় বসে মূল্যায়ন ও বিশেষ যোগাযোগের মাধ্যমে পছন্দের প্রার্থীদের পাস করিয়ে দেয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সরকার।
মো. ওমর ফারুক নামের একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ারের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ২৯ মার্চ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব বায়তুল আমীন ভূঁইয়ার নেতৃত্বে এক সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করে। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
লিখিত আবেদনে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তারা হলেন সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার অ্যান্ড এক্সামিনার পদে সংযুক্তিতে নিয়োজিত মেরিন একাডেমির সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টাক্টর এস এম নাজমুল হক এবং একই অধিদপ্তরের অঙ্গ সংস্থা নৌবাণিজ্য অধিদপ্তরের খুলনা অফিসের ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার মো. শফিকুল ইসলাম।
মো. ওমর ফারুক লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, শফিকুল ইসলামকে বিধি লঙ্ঘন করে সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান পরীক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি সমুদ্রগামী জাহাজের নাবিকদের (মেরিন ইঞ্জিনিয়ার) সার্টিফিকেট অব কম্পিটেন্সি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করে এস এম নাজমুল হককে দেন। এরপর নাজমুল হক বিশেষ যোগাযোগের মাধ্যমে তার বাসায় বসে পছন্দের প্রার্থীদের হাতে প্রশ্নপত্র তুলে দেন এবং মৌখিক পরীক্ষায় কি ধরনের প্রশ্ন করা হবে তাও আগাম জানিয়ে দেন। ২০০৪ সাল থেকে নাজমুল হক এই অনৈতিক ও বেআইনি কাজ করে আসছেন এবং এই অভিযোগে ইতিপূর্বে তাকে দু’বার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারও করা হয়। তবে বর্তমানে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিশেষ আশির্বাদে তিনি নির্বিঘ্নে এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
নৌমন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লেখা অভিযোগের অনুলিপি লন্ডনে অবস্থিত আন্তর্জাতিক নৌসংস্থার (আইএমও) সদর দপ্তর, নৌপরিবহনমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব, বাংলাদেশ সমুদ্রগামী জাহাজ মালিক সমিতি ও দেশের সব মেরিটাইম ইনস্টিটিউটকে দেয়া হয়েছে।
জানিনা এর শেষ কোথায় । তবে আশা করব সংশ্লিষ্ট সবাই এই ব্যাপারে আর সতর্ক হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিবে যেন এই ধরণের ঘটনা বন্ধ হয়। তা না হলে মেরিন সেক্টর হুমকির মুখে পড়বে।